স্টাফ রিপোর্টার মোঃ নজরুল ইসলাম
বড়লেখা থেকে ৩ বছর আগে বদলি হওয়া সেই ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অরবিন্দ কর্মকারের অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের তদন্ত  গত কাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালকের নির্দেশে অভিযোগটি তদন্ত করেন মৌলভীবাজারের সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোশারফ হোসেন। তদন্ত করতেই সাড়ে ৪ বছর পার, প্রতিবেদন তৈরি, জমা আর ব্যবস্থা নিতে কত বছর অপেক্ষা করতে হবে এমন প্রশ্ন তুলে ভুক্তভোগীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক বরাবরে উপজেলার ৮ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক কর্তৃক প্রেরিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার অরবিন্দ কর্মকর্তার বিভাগীয় নিয়মনীতি, আদেশ-নির্দেশের তোয়াক্কা না করে কিছু শিক্ষক দিয়ে সিন্ডিকেট তৈরী করে ঘুষ-দুর্নীতি চালিয়ে যান। সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষা উপকরণ মেলায় প্রতি শিক্ষকের নিকট থেকে ৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করেন। শিক্ষা অফিসের ফার্ণিচার ক্রয়ের নামে স্কুল প্রতি ২০০ টাকা, জাতীয় বেতন স্কেল পে-ফিক্সেশনের নামে সহকারী শিক্ষক প্রতি ২০০ টাকা, প্রধান শিক্ষক প্রতি ৫০০ টাকা করে আদায় করেন। অবসরকালিন ছুটিতে গমণের প্রায় ২ মাস বাকি থাকলেও বড়লেখা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গীতা রাণী দেবীকে বিধিবহির্ভূতভাবে কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করেন। টাইমস্কেল, এরিয়ার বিল, মাতৃত্বকালিন ছুটি, চিকিৎসা ছুটি, উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের অনুমতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা চাকুরী বহিতে এন্ট্রি, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের সরকারি বরাদ্দের অর্থ ছাড়করণে অলিখিত ঘুষের নিয়ম চালু করেন।

বড়লেখায় সাড়ে ৪ বছর পর এটিইও’র অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্ত প্রতিবেদন হয়নি।

ফেইজবুকে আমরা

error: Content is protected !!