মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন, থানায় সাধারণ ডায়েরি

সফিকুল ইসলাম বাদল ( ব্রাহ্মনবাড়ীয়া) প্রতিনিধি ,,ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রছুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ফেক আইডিসহ দশটি আইডি’র বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করে বৃহসপতিবার (২৮.০৫) সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানান। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, অভিজিত বনিক, রছুল্লাবাদের জনতা, রছুল্লাবাদের রাজনীতি, রছুল্লাবাদ আমার অহংকার, Md Rakibul Islam,Shirin Akter, Khandaker Monir Hossain,Ali Akber Hossain, Shycf Ahamed, খন্দকার মনির ভাইয়ের সমর্থক গোষ্ঠি, নামের বিভিন্ন ফেসবুক আইডি হইতে আমার নাম,ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ বাজে লিখা পোষ্ট করে আসছে। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিগনের এহেন কর্মকান্ডে রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষসহ আমি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছি। সাংবাদিকদের প্রশ্ন্রের জবাবে তিনি স্থানীয় এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সুুপারিশক্রমে খাস জায়গায় সরকারি বন্দোবস্ত প্রদান প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে আ’লীগ ও তার অংঙ্গসংগঠনের অফিস, সরকারের জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পে একজন অসহায় ব্যক্তিকে ঘর বরাদ্দ,মসজিদ ও মাদ্রাসার জন্য সরকারি বন্দোবস্ত প্রক্রিয়ায় খাস জায়গা,একটি হতদরিদ্র দিনমুজুর পরিবারকে শিশু খাদ্যের জন্য ২০০ টাকা,চাচা ভাতিজার মারামারি ঘটনায় তিন গ্রামের সালিশ দরবারে চাচা ফরিদ মিয়াকে মারায় জুড়িবোর্ডের মাধ্যমে ভাতিজা হাসান রশিদকে আর্থিক জরিমানা ও মাপ চাওয়া,ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ইয়াবাসহ ধরে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে জানিয়ে বলেন, এ সকল কার্যক্রমে আমার ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ নেই, দলীয়, এলাকাবাসী ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে এগুলো করা হয়েছে। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, হাসান রশিদ খুব খারাপ প্রকৃতির লোভী মানুষ, সম্পত্তি নিয়ে চাচা ভাইদের মারধর করে। সে কোন মুক্তিযোদ্ধাই না, আমার ইউনিয়ন পরিষদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার কোন নাম নাই, সে মুক্তিযোদ্ধার ভাতাও পায় না,মুখে বলে বীর বিক্রম মুক্তিযোদ্ধা। আপন চাচাকে মারধর করেছে,চাচা মামলা করেছে থানায়। ঘটনা ৪বছর আগের। পরে আপোশ মিমাংসার জন্য আমার কাছে আসে। এই বিচারটি আমি করিনি দাল্লা,মোল্লা,উত্তর দাররা এই তিন গ্রামের সাহেব সর্দাররা জুড়িবোর্ড তৈরি করে আর্থিক জরিমানা ও মাপ চাওয়ার রায় করে । তার হাটুতে সমস্যা থাকায় সে উপুর হয়ে বাপতুল্যে চাচার পায়ে ধরে মাফ চায়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চাচা ফরিদ মিয়া বলেন, জায়গা সম্পত্তি নিয়ে সে আমার উপর অমানবিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। মামলা মোকদ্দমার পর অবশেষে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সামাজিক বিচার হয়। তার হাটুতে সমস্যা ছিল বিচার শেষে হাউমাউ করে কেদে উপুর হয়ে আমার পায়ে ধরে মাপ চায়। সম্মেলনে উপস্থিত তার ভাই আবদুল হাই বকুল বলেন, সে মুক্তিযোদ্ধা কি না জানিনা,আমি তার কোন সার্টিফিকেট দেখিনি মনে হয় ভাতাও পায় না,চাচাকে মারার ঘটনার বিচারের দিন আমি ছিলাম,তিন গ্রামের সর্দারদের জুড়িবোর্ড এ রায় করেন। জোর করে রায় চাপিয়ে দেওয়া হয়নি,মাপ চাইতে তাকে বাধ্য করাও হয়নি। এ সময় চাচা ভাতিজার মারামারি ঘটনায় চাচা ফরিদ মিয়া ভাতিজা হাসানের ভাই আবদুল হাই বকুলসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!