কেশবপুরে ১০ টাকার মোমবাতি ১৫ থেকে ২০ টাকা বিক্রয়

আবু হুরাইরা রাসেল, কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার সহ ছোট বড় মুদি ব্যবসায়ীরা, আম্পান ঝড়ে বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফলে বৈদ্যুতিক তার ক্ষতবিক্ষত ও বৈদ্যুতিক পোল পানিতে পড়ে যাওয়ার কারণে, পল্লী বিদ্যুতের অভাবনীয় ক্ষতি হয়।

যার ফলে উপজেলা ব্যাপী একটি বিদ্যুৎ বিহীন ভুতুড়ে নগরীতে পরিনিত হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা মোমবাতির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ২-৩ দফা মূল্যবৃদ্ধি করে বলে, উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে ভুক্তভোগী ক্রেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে, দৈনিক খবর প্রবাহকে বকুলতলার ব্যবসায়ী কামরুল হোসেন জানান কেশবপুরে মোমবাতির এত প্রচলন কখনোই ছিল না, সুপার সাইক্লোন আম্পানের কারণে বিদ্যুতের যে ক্ষতি হয়েছে সে কারণে একশ্রেণীর ক্রেতারা আগেভাগেই মোমবাতি ক্রয় করে বাজার শূন্য করে ফেলেছে।

পরবর্তীতে আমরা কেশবপুরের বাইরের মোকাম থেকে, মোমবাতি কিনতে যেয়ে দেখি সেখানে অধিক মূল্যে মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের কথা ভেবে, বেশি মূল্যে কিছু মোমবাতি ক্রয় করি ১০ টাকার মোমবাতিগুলো ১৩ থেকে ১৪ টাকায় কিনতে হয়, পরবর্তীতে ক্রেতাদের নিকট ১৫ টাকা দরে বিক্রয় করি মাত্র।

শহরের মুরগি বাজারের ব্যবসায়ী ধীরেন পাল বলেন, বেশি দামে মোমবাতি ক্রয় করার ফলে একটু বেশি দামে বিক্রির করতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় সাধারণ ক্রেতাদের কাছে জানতে চাইলে, দৈনিক খবর প্রবাহের সাংবাদিকদের বলেন ঝড়ের প্রচুর তীব্রতার ফলে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ। বিদ্যুতের পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই অচিরেই সংকট কেটে যাবে।

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতের কেশবপুর শাখার ডিজিএম, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ স্যারের নিকট জানতে চাইলে, দৈনিক খবর প্রবাহকে বলেন কেশবপুরে পল্লী প্রতিটি সদস্য বিরতিহীন কাজ করে চলেছেন। অচিরেই কেশবপুরের সকল স্থানে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে ইনশাল্লাহ।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!