করোনার লকডাউন বিলম্বিত হলে মানুষের ধৈর্যচ্যুতি হতে পারেঃ রবিউল আলম

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি রবিউল আলম জানিয়েছেন করোনার লকডাউন বিলম্বিত হলে মানুষের ধৈর্যচ্যুতি হতে পারে, সচেতন ও ঐক্যবদ্ধতাই পারে করোনার মহা দুর্যোগ বিশ্বকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। ভাবনার বিষয় নির্ধারণ করতে হয় সরকারকে।

প্রতিটি দেশের সরকার প্রধান ও সরকারের দায়ীত্বশীল ব্যাক্তিরা তার দেশের জনগণ, পরিবেশ পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ও দিয়ে থাকেন বাংলাদেশ সরকারও এ থেকে আলাদা নয়।

জাতির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের জীবনকে জনগণ থেকে এই বিপদের দিনে আলাদা করতে পারেন নাই।একের পর এক সিদ্ধান্ত দিয়ে চলেছে, জনগণকে বাচিয়ে রাখার পরিকল্পনা করে চলেছেন। আমি বলবো না সব সিদ্ধান্ত সঠিক হয়েছে। করোনা সম্পর্কে বিশ্ব বিশেষজ্ঞরা একটিও সঠিক সিদ্ধান্ত আজও দিতে না পারার কারনে। করোনা নিয়ে চলছে অনুমান নির্ভর চিকিৎসা ও দিকনির্দেশনা। সব বিষয় এখনো বলার সময় আসে নাই, একটি বিষয় পরিস্কার, করোনাকে এখন আর মরন ব্যাধি বলা যাবে না। করোনা রোগী মৃত্যুর চেয়ে, ভালো হওয়ার সংখ্যা বেশি হওয়ার কারনে। ইতিমধ্যে করোনাকে জয় করার অনেক প্রদ্ধতি বিশ্ব আবিস্কার করেছে, আবিস্কার হওয়ার পথে।

করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে ডাক্তাররা রোগী দেখা শুরু করেছেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলো করোনায় মৃত্যু ব্যাক্তির লাশ মাটি ও শ্মশানে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করছেন।ভয়কে জয় করাইতো বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্য। জাতির জনকের বিহ্মাত উক্তি, আমাদেরকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। মানুষ মরনশীল, তবে এখন আর ঘরে বসে আমরা মরতে ও দেশকে মারতে চাই না। বাজারে, ফেরিঘাটে, মার্কেটে, রাস্তায়, মসজিদে, গারম্যেন্সে কোথাও সামাজিক দুরত্ব আমরা রহ্মা করতে পারছি না। জনগণ ও দেশকে আমরা একসাথে মারতে পারবো না। সরকার ও সরকারের দায়ীত্বশীল অংশিদাররা তাদের দায়ীত্ব পালন অব্যাহত রেখে, লকডাউন শিথিল করতে হবে। উৎপাদন, রপ্তানি ও কৃষিকে অগ্রাধীকার দিয়ে, যোগাযোগকে সীমিত পরিসরে চালু করতে হবে। এখন আর পেছনে তাকানোর সময় নাই। সরকারকে বিবেচনায় আনতেই হবে।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!