অসহায় মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে উপহার সামগ্রী নিয়ে হাজির হচ্ছেন শ্রীপুরের মেয়র আনিছ।

গাজীপুর  শ্রীপুর প্রতিনিধিঃ 

গাজীপুরের   শ্রীপুর পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ আনিছুর রহমান। চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী উপহার দিয়ে দুর্যোগের মধ্যে হাসি ফোটাচ্ছেন হতদরিদ্র খেটে  খাওয়া দুস্থ  অসহায় মানুষের মাঝে।  মেয়রের উদ্যোগে এই খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, শ্রীপুরের পৌর এলাকায় কোনো জায়গা বাদ পরেনি  যেখানে  মেয়র আনিছ যান নি রাত দিন একাকার করে অবিরাম ছুটে চলেছেন। খবর পেলেই খাবার নিয়ে ছুটছেন মেয়র আনিছ  এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্তে খাদ্য বিলিয়ে যাচ্ছেন এই মানবদরদী। বিরামহীন ছুটে চলা মানুষটি এখন গরীব-দুঃখীর পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। করোনা ক্রান্তিকালে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। জনগণের কাছে হয়ে উঠেছেন প্রশংসার পাত্র। মেয়র আনিছুর রহমান।
কভিড-১৯ সংক্রমণ ঠেকাতে শ্রীপুর কডাউন করা হয় ১১ এপ্রিল। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পর গাজীপুরকে করোনার উপকেন্দ্র ঘোষণা করে সরকার। এতে গৃহবন্দী হয়ে চরম মানবেতর অবস্থা সৃষ্টি হয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারে। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসেন মেয়র আনিছুর রহমান।গ
জানা  গেছে, মেয়রের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ইতোমধ্যে হাজার হাজার পরিবারকে  খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আরও পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রধান মন্ত্রী  শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাউকে যেন খাবারের অভাবে কষ্ট করতে না হয়, সে বিবেচনা মাথায়  রেখে  কাজ করে যাচ্ছেন শ্রীপুরের মেয়র আনিছুর রহমান।
মেয়র আনিছুর রহমান জানান, মানুষের প্রয়োজনে এগিয়ে আসাই আসল মনুষ্যত্ব। আমি চাই শ্রীপুরের  একজন মানুষও খাবারের অভাবে কষ্ট না করুক। একেবারে মানবিক বিবেচনা বোধ থেকে এই পদক্ষেপ। এ ক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিককে সমান দৃষ্টিভঙ্গিতে বিবেচনা করা হচ্ছে। কেউ যাতে খাবারের কষ্ট না করে সেটি আমার প্রথম লক্ষ্য। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা রাস্তায় নামতে পারেন না, তাদের ঘরেও খাবার পৌঁছে দিচ্ছি।
তিনি আরও জানান, শুধু খাবারের নিশ্চয়তা না, স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়েও তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে শ্রীপুরের  বিভিন্ন হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সসহ সব স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য চিকিৎসা সামগ্রী বিতরন করেছেন।
বেশ আগে থেকেই সতর্ক অবস্থায় ছিলেন জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমরা খুবই সচেতন ও সতর্ক ছিলাম। কিন্তু বহিরাগত কিছু সমস্যার কারণে হঠাৎ এখানে করোনা শনাক্ত শুরু হয়। বিশেষ করে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের কারণে তালগোল পেকে যায়। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী সবাইকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করি পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবো।’

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!