স্কুল মাঠ দখল করে জমজমাট বালুর  ব্যবসার অভিযোগ.

 

হাছানুর রহমান- নীলফামারী জেলা প্রতিনীধিঃ নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায়,  সম্প্রতি সময়ে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার, নিতাই বাড়ি মধুপুর গুচ্ছগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ বালু ভরাট করে সেখানেই জমজমাট বালু ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে ওই বিদালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার , সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী চারাল কাটা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকারি অর্থায়নে চলছে নদী ড্রেজিংয়ের কাজ।

সেই ড্রেজিংয়ের বালু উত্তোলন করে বিদ্যালয়ের পুরো মাঠ জুড়ে জমানো হয়েছে বালুর স্তুপ ও সেই বালু বিক্রির মহোৎসবে মেতে উঠেছে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ।
আর বিদ্যালয়ের মাঠ দিয়ে প্রতিদিন ৫/৭টি বালুবাহী লরি/ ট্রাকটর চলাচল করায় মাঠ দেবে গিয়ে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। যা পরবর্তীতে বিদ্যালয়টির মাঠ সংস্কারে সরকারের কয়েক লক্ষাধিক টাকার মত ব্যয় হতে পারে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচযের শামিল। মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিপরীতে মাঠ নষ্টে বাধা দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। অপর দিকে কোমলমতি শিশুরাও খেলা-ধুলা থেকে বঞ্চিতসহ স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, ওই বালু বিক্রিসহ ভরাট এর সাথে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তার পরিবারবর্গ জড়িত।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আইকুলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিদ্যালয়ের মাঠে বালু ভরাটের অনুমতির কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিয়ার রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠ উঁচু করার জন্য কিছু বালু ভরাট করতে বলেছি। কিন্তু ওখানে কে বা কাহারা বালু বিক্রি করতেছে তা আমি জানিনা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরিফা আক্তারকে এ বিষয়ে অবহিত করলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে বালু সরানো না হলে বালু ভরাট কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!