কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ফসলহানি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে বসতবাড়িসহ বোরো ধান, ব্রি ২৯ ধান, আম, কাঁঠাল ও রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এ সব এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম ।গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাদ্রা ও দপ্তিয়র ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের উপর দিয়ে দুপুরের পর প্রথমে হালকা ঝড়ো হাওয়া ও পরে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বড় বড় শিলা বৃষ্টি পড়া শুরু হয়। অনেক বড় আকারের শিলা বৃষ্টিতে মানুষের ঘরের টিনের চালা পর্যন্ত ছিদ্র হয়ে যায়। বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ঘুরে জানা যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের আন্দিবাড়ি, পানান, পাইশানা বলরামপুর, ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদিয়া, কোদালিয়া, কাশিনারা ও দপ্তিয়র ইউনিয়নের ভূগোলহাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকার উপর দিয়ে এ ঝড় ও ভয়াবহ শিলা বৃষ্টি বয়ে গেছে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে বয়ে যাওয়া ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে বোরো ধান, ব্রি ২৯ ধান, আম, কাঁঠাল , ও রবিশস্যের পাশাপাশি বেশ কিছু বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম শুক্রবার ( ২৪ এপ্রিল) সকল ১১টার সময় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং যাদের বাড়িঘর অতিমাত্রায় ক্ষতি হয়েছে তাদের মাঝে দুর্যোগ কালীন ত্রাণ বিতরণ করেন । সেই সাথে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা আ:
মতিন বিশ্বাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালের হঠাৎ ঝড়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আন্দিবাড়ি, পানান, পাইশানা বলরামপুর, ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদিয়া, কোদালিয়া,কাশিনারা ও দপ্তিয়র ইউনিয়নের ভূগোলহাটে ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টিতে ব্রি ২৮ পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ব্রি ২৯ ধানের পাতার কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। আমরা অচিরেই ক্ষতির পরিমান নির্ধারন করবো।
পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আবকর ও কোদালিয়া ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ রাশেদ মিয়া সহ গণমাধ্যম কর্মীরা।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!