সাভারে অতিরিক্ত বাস ভাড়া নেওয়ায় বাঁধা দেওয়ায় সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেছে পুলিশ

শহিদুল্লাহ সরকার 
 সাভারে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায়ে বাঁধা দেওয়ায় এক সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেছে পুলিশ।বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে এঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিকের নাম এস এম মনিরুল ইসলাম সে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির সাভার প্রতিনিধি।
জানা যায়, সাভার থেকে ছেড়ে যাওয়া বিভিন্ন রুটের যাত্রীবাহি বাস গুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছিল। সে ওইখানে থাকাকালীন বাস যাত্রীরা ওই সাংবাদিকের কাছে বেশি ভাড়া নেয়ার বিষয়টি জানান। পরে ওই সংবাদকর্মী তার ফেইসবুক লাইভে গিয়ে বাসের লোকজনের কাছে বেশি ভাড়া নেয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে বাস কতৃপক্ষের লোকজন তার সাথে খারাপ আচরণ করে। এ সময় পাশে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে বেশি ভাড়া নেয়ার বিষয় জানতে চাইলে পাশে থাকা মাসুদ নামের ওপর এক পুলিশ কনস্টেবল ফেইসবুক লাইভে থাকা অবস্থায় ওই সাংবাদিকের হাত থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয়।
এ বিষয়  সাংবাদিক এস এম মনিরুল ইসলাম  বলেন, যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ শুনে বাসস্টাফদের সাথে কথা বলি তারা বেশি ভাড়া নেয়ার অভিযোগটি অস্বীকার করে।  তার কিছুক্ষণ পরেই মোহাম্মদ আলী নামের এক দালাল সাভার থেকে পাটুরিয়া ২শত টাকা করে ডাক ছেন যাত্রীদের। তার ভিডিও নিতে ফেইসবুক লাইভে যাই। তার কাছে জানতে চাই ২শত টাকা কি পাটুরিয়ার ভাড়া তিনি এসময় আবোল তাবোল বলতে থাকেন। পরে পাশে থাকা পুলিশ সদস্যকে অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করতেই পাশে দাড়িয়ে থাকা পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ আমার মোবাইল ফোনটি ফেইসবুক লাইভে থাকা অবস্থায় হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পাশে থাকা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। এসময় আমি সাংবাদিক পরিচয় দিলেও সে কোনো কথাই শোনেননি। পরে পুলিশ বক্সে নিয়ে আমি কিসের সাংবাদিক বিভিন্ন বিষয় জিজ্ঞেস করে পরে ফোনটি ফেরত দেয়।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে সাভার পশু হাসপাতালের সামনে ওই ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পাশের একজন ফল ব্যবসায়ী জানান, নিয়মিত ওই ট্রাফিক পুলিশদেরকে মাসোহারা দেন এখানকার দালাল চক্রের লোকজন। তাই তারা সব সময় বাস কতৃপক্ষের হয়েই কথা বলেন। যাত্রীরা অভিযোগ করলেও তাই কোনো লাভ হয় না বলেও জানান ওই ফল ব্যবসায়ী।
সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার  বিষয় জানতে চাইলে সাভারে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর ( টি আই) আবুল হোসেন বলেন, শুধু সাংবাদিক না একজন সাধারণ মানুষেরও পুলিশের কাছে জানতে চাওয়ার অধিকার আছে। ওই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যর বিষয় খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থ নেওয়ার আসাশ্ব দেন তিনি।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

Archive Calendar

error: Content is protected !!