কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা এড কায়সার আহমেদ
কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা এড কায়সার আহমেদ

আমার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে দায়ী এমপি বাবেল গোলন্দাজ, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা এড কায়সার আহমেদ!!! খোলা চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
প্রিয় গফরগাঁও বাসী,
                            আমার ছালাম নিবেন। গত ১৯/১১/২০১৯ ইং তারিখের দৈনিক সমকালের একটি সংবাদে একটি শিরোনামে  আমি সহ আপনারাও মর্মাহত হয়েছেন। প্রকৃত ঘটনাতো আপনাদের সকলেরই জানা। আমার পিতা মরহুম আলহাজ্ব আমিনুল হক (চাঁনু মিয়া) একজন ভাষাসৈনিক ও হক বিচারক ছিলেন। দীর্ঘদিন উনি স্বাধীনতা উওর ও পরবর্তী সময়ে বর্তমান গফরগাঁও পৌরসভা সহ ৪ নং সালটিয়া ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়ে আপনাদের পাশে থেকে খেদমত করেছেন। আমার দাদা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম  হাজী আহাম্মদ আলী সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন এবং গফরগাঁও সরকারি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। আমার পিতার মামা গফরগাঁওয়ের প্রাণপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদরের আবুল হাসেম ১৯৭০ এর এম পি এ ও ১৯৭৩ এর এম পি ভাষা সৈনিক আবুল হাসেম মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। আমার মায়ের দাদা মরহুম ডাঃ আব্দুর রহমান ( Health officer) সাহেব দুই/দুই বার এম এন এ ছিলেন। উল্লেখ্য যে কান্দিপাড়া আব্দুর রহমান ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। আরও উল্লেখ্য যে, আমার আপন মামা শহীদ মাসুদুজ্জামান (মাসুদ) বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন। আমি পূর্ব পুরুষগনের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উজ্জীবিত হয়ে ২০০১ এর ১৩ সেপ্টেম্বর দলের দুঃসময়ে প্রয়াত সাংসদ জননেতা মরহুম আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের নেতৃত্বে মাননীয় নেএীর সাথে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগদান করি। ১লা অক্টোবর ২০০১ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী জনাব আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের নির্বাচনে ব্যাপক ভূমিকা রাখার কারনে আমার পিতা সহ একই পরিবারের ০৩ জন ০২ টি হত্যা মামলা সহ একাধিক মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলার আসামি হই  ” বি এন পি জামাত ” জোট সরকারের আক্রোশে। যা মাননীয় নেএী অবগত আছেন। ঐ সময়ে জামাত বি এন পি জোটের বাহিনীর তান্ডবের সময় আমিই প্রথম মিছিল নিয়া ইসলমীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের জনসভায় যোগদান করি নেএীর জনসভায়  পরবর্তীতে আইন আদালতে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের আইনী সহায়তা প্রদান করি একজন আইনজীবী হিসাবে। শুধু তাই নয় ১/১১ সময় গফরগাঁও উপজেলা পরিষদ চত্বরে কারাবন্দী নেএীর মুক্তিদাবী করার কারনে যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হই, এবং ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইন ও জরুরী বিধি মালার ১৬(২) ধারায় আমাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরন করে, অতঃপর ১ মাস২১দিন কারাগারে থাকার পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক আইন মন্ত্রী এ্যাডঃ আবদুল মতিন খসরু সাহেবের সহায়তায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করি। উল্লেখ্য যে,  মাননীয় নেএীর নির্দেশে আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৫ম কংগ্রেসে সদস্য হিসাবে অন্তভুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আমি মহাজোটের প্রার্থী হিসাবে তৎকালীন  এম পি
ক্যাপ্টেন গিয়াসুদ্দিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, ও বি এন পি দলীয় সাবেক  এম পি ফজলুর রহমান সুলতানের প্রচন্ড বিরোধীতার  পরও নেতা কর্মীগনের ও পৌরবাসীর সহযোগিতায় মেয়র নির্বাচিত হই, এবং যুবলীগের ৬ষ্ঠ কংগ্রেসে কেন্দীয় কায্যনির্বাহী কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হই। এতেই স্হানীয় সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের বলয়ের একটি অংশ আমাকে হেয় করার জন্য অসুস্হ প্রতিযোগিতায় নেমেছে যা হাস্যকর। আপনারা অবগত আছেন যে,রাজনীতি করতে যে কত পৈএিক সম্পদের ক্ষতি করেছি যা দৃশ্যমান গফরগাঁও  সাব- রেজিস্টার অফিসে থাম বহি অনুসন্ধান করলে সত্যতা প্রকাশ পাইবে। আরও উল্লেখ্য যে, ২০১৯ ইং সালের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রিয় নেএী ও মনোনয়ন বৌড আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন যা এম পি বলয়ের কুচুক্রী মহলটি ষড়যন্ত্র করে আমাকে বঞ্চিত করে যা আপনারা অবগত আছেন। আর ঐ বলয়ের কথা বলতে চাচ্ছিলাম না তবুও বিবেকের তাড়নায় বলছি, পৌর মেয়র ইকবাল হোসেন সুমন যারা (Non Bengali) সে কিভাবে নৌকা পেয়েছে আপনারা অবগত আছেন, ০৩ নং চরআলগী ইউঃ পির বর্তমান চেয়ারম্যান ডলার ব্যবসায়ী মাসুদ ওরফে ডলার মাসুদ ২০০১ সালে চরের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ঘর বাড়ি লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে মিথ্যা মামলার আসামি করেছিল আওয়ামী লীগের নির্যাতিত কর্মীদের। সেই মাসুদ কিভাবে নৌকা প্রতীক পেল? উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল উদ্দিন আকন্দকে বাদ দিয়ে?  ০৭ নং মশাখালী ইউঃ পির সাবেক চেয়ারম্যান ০২ বার ও  বর্তমান উপজেলা মুক্তি যোদ্বা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সেলিম আহমদ কি কারনে নৌকা পেলেন না আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা আপার কাছে  অনুরোধ রাখছি অনুসন্ধানের জন্য। আমি ঐ চক্রের সাথে একমত হতে পারি নাই বলে এবং বিগত ০৬ (ছয়) বছরের টি আর, কাবিখা, বয়স্ক ভাতা, চল্লিশা কর্মসূচী ও নানান দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলাই আমার জন্য কাল হয়েছে। তবে আমি খুশি হয়েছি এই কারনে  যে, দুদকের মত একটি সাংবিধানিক প্রতিষঠান যদি আমাকে নোটিশ পাঠায় তাহলে ওখানে আমার যাওয়ার সুযোগ হবে। আজ এই পর্য্যন্ত আমার জন্য দোয়া করবেন, যদি কখনও শুনেন আমার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় তাহলে সেটার জন্য এম পি বাবেল গোলন্দাজ দায়ী থাকবে। খোদা হাফেজ।

     More News Of This Category এই বিভাগের আরও খবর

ফেইজবুকে আমরা

error: Content is protected !!